অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করুন এবং সম্পূর্ণ কৃতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেখুন।
মধ্যরাত বারোটা বাজছে, ঝু শিয়ে খেলে খেলে খুব মজা পাচ্ছিল। হঠাৎ তার ফোনটি সাদা আলোয় ভরে গেল এবং স্ক্রিনে বরফের দানের মতো দেখা দিল।
ঝু শিয়ে বুঝার আগেই স্ক্রিনে একটি লাল চিহ্ন দেখা দিল – বারবার জ্বলছে।
তারপর স্ক্রিনে একটি লাইন লেখা দেখা গেল:
**“মাছ রাক্ষসের থেকে ৩ মিটার দূরে, দ্রুত রাক্ষস ধরুন। রাক্ষস ধরলে ফোন পুনরায় ব্যবহার যোগ্য হবে।”**
কি হয়েছে? ফোনের প্রোগ্রামটা বিকল হয়ে গেছে?
মাছ রাক্ষস? ৩ মিটার?
তার ভাড়ার ঘরটা মাত্র বিশ বর্গমিটার – এখানে কোথায় রাক্ষাস আসবে?
ঝু শিয়ে বারবার ফোন রিস্টার্ট করলো, কিন্তু সব সময় একই অবস্থা ছিল।
এই মুহূর্তে রিস্টার্ট হয়ে ওঠা ফোনে আবার একটি লাইন দেখা দিল:
**“ক্যামেরাটি মাছ রাক্ষসের দিকে রাখুন, রাক্ষাস ধরার জন্য।”**
‘হ্যা?’ – বিস্মিত হয়ে ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান ফাংশন চালু করলো।
ঝু শিয়ে চেষ্টা করে ফোনটি চারপাশে ঘুরালো, দুইবার ঘুরিয়ে শেষে বারান্দার প্লাস্টিকের বাসনের দিকে নির্দেশ করলো।
স্ক্রিনে একটি লাল বাক্সটি পুরো বাসনটিকে ঘিরে রাখলো।
‘মাছ রাক্ষাস বাসনে আছে?’ – ঝু শিয়ে সন্দেহ করে উঠে সেখানে গেল। মুখে অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়ল।
প্লাস্টিকের বাসনে ছিল আজকে কেনা গ্রাস মাছ – আগামীকাল রান্না করার জন্য, এখনও বাঁচছিল।
কিন্তু অদ্ভুত ঘটনা ঘটলো – ফোনের লাল বাক্সটি মাছের দিকে নির্দেশ করলে মাছটি অদৃশ্য হয়ে গেল!
ঝু শিয়ে কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়াল। বারবার দেখলে বুঝল মাছ সত্যিই নেই। খেয়েছিলেন ব্যথা করে বললেন:
“আমার মাছ কোথায় গেল? একটা মাছ পনের টাকা! আমার দিনের মজুরি শত টাকারও কম!”
ভ্যুঁ – ভ্যুঁ – ফোন কাঁপল। নিচে তাকালে দেখল ফোন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
শুধু একটি নতুন অ্যাপ যোগ হয়েছে – **জ্যাও মাস্টার (রাক্ষস ধরা